প্রতিবাদ সংবাদ “১৩ নং এওয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদে দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন”
১৩ নং এওয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদে দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আলামিন।
সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে জড়িয়ে যে দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে, তা তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আলামিন বলেন,
“আমি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সততার সঙ্গে জনগণকে ডিজিটাল সেবা প্রদান করে আসছি। জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ ও অনলাইন প্রত্যয়নপত্রসহ সব সেবা সরকারি নিয়মে প্রদান করা হয়। এখানে ঘুষ বা হয়রানির কোনো প্রশ্নই আসে না। বরং কিছু ব্যক্তি নিয়ম বহির্ভূতভাবে দ্রুত কাজ আদায়ের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায়, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সব কাজ এখন অনলাইনে রেকর্ড থাকে, ফলে যেকোনো নাগরিক চাইলে তার সেবার অগ্রগতি সরাসরি দেখতে পারেন। “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। আমি চাই প্রশাসন স্বচ্ছ তদন্ত করুক। যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারে, আমি আইনি শাস্তি মেনে নেব। কিন্তু মিথ্যা সংবাদ প্রচারের কারণে আমি মানহানির মামলা করার বিষয়টি বিবেচনা করছি।”
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
“আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি নিয়ম মেনেই সেবা প্রদান করা হয়। কোনো ধরনের ঘুষ বা হয়রানি বরদাস্ত করা হবে না। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ তদন্ত করা হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ইউনিয়ন পরিষদ হলো জনগণের সেবাকেন্দ্র। তাই কোনো অভিযোগ উঠলে তা সঠিকভাবে তদন্ত হওয়া জরুরি। একইসাথে, অপ্রমাণিত অভিযোগের মাধ্যমে কারও ব্যক্তিগত সম্মান ক্ষুণ্ণ করাও সমানভাবে অনুচিত।
